শিক্ষক ও টিউটর

ছয়জন শিক্ষার্থী পড়ালেও হিসাব লাগে।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষকের কোনো কোচিং সেন্টার নেই। তাঁরা বাসায় হাতেগোনা কয়েকজনকে পড়ান, মাসের শুরুতে ফি নেন, আর হিসাবটা রাখেন একটি খাতায়। এটি সেই খাতাটাই — হিসাবটা নিজে থেকেই মিলিয়ে দেওয়া।

  • ফোন নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থী যোগ করুন। কোনো ফি বসার আগেই তিনি নিশ্চিত করেন — কেউ শুধু নাম লিখে দিয়েছে বলে কারও নামে ফি উঠবে না।
  • এক চাপেই মাসের ফি সবার জন্য বসে যায়। ভুল করে দুবার চাপলেও দুবার কিছু হয় না।
  • কার কত বাকি, কোন মাসের — দেখুন। জট পাকানো একটা ব্যালেন্স নয়; প্রতি শিক্ষার্থীর প্রতি মাসের আলাদা সারি।
  • শিক্ষার্থী টাকা পাঠিয়ে নিজেই জানান, ট্রানজেকশন আইডিসহ, যাতে আপনি নিজের বিকাশের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।
  • গ্রুপ — একসঙ্গে এগারো জনকে পরীক্ষা দিন বা বার্তা পাঠান।
  • শিক্ষার্থীরা খুঁজে পান এমন একটি প্রোফাইল। ডিরেক্টরিতে, নিজের এলাকায়।

দুই দিকই, একটি অ্যাকাউন্টে

শিক্ষক হবেন না শিক্ষার্থী — এটা বেছে নিতে হয় না। একই অ্যাকাউন্টে আপনি যাঁদের পড়ান তাঁদের জন্য My Teaching, আর যাঁরা আপনাকে পড়ান তাঁদের জন্য My Teachers

পাশের বাসার বাচ্চাকে পড়ানো এইচএসসি পরীক্ষার্থী দুটোই দেখেন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়িয়ে নিজের কোচিংয়ের খরচ চালানো মাস্টার্সের শিক্ষার্থীও তাই।

শিক্ষার্থী বাড়লে সেন্টার খুলুন

একটা সময় আসে যখন খাতা আর যথেষ্ট নয় — একাধিক ব্যাচ, ভর্তি, আইডি কার্ড, প্রকাশিত ফলাফল। তখন একই অ্যাকাউন্ট থেকেই প্রতিষ্ঠান খোলা যায়, আর আপনার শিক্ষার্থীরা যেখানে ছিলেন সেখানেই থাকেন।

প্রতিষ্ঠান যুক্ত করুন